দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন বাহিনীর ইরানের চাবাহার বন্দরে হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স।
ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাবাহারে হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর আওতায় এখন অঞ্চলের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর রয়েছে। তাদের দাবি, এই হামলার মাধ্যমে কার্যত উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক বন্দরগুলোর একটি তালিকাই তেহরানের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
ফার্স যেসব স্থাপনার নাম উল্লেখ করেছে, তার মধ্যে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দর, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কনটেইনার বন্দর। এছাড়া বাহরাইনের মিনা সালমান বন্দরের কথাও বলা হয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর অবস্থিত।
তালিকায় আরও রয়েছে কুয়েতের শুয়াইবা বন্দর এবং ক্যাম্প আরিফজান। ফার্সের ভাষ্য অনুযায়ী, এগুলো মধ্যাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনীর অগ্রবর্তী সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সংঘাতের শুরুর দিকে শুয়াইবায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া কাতারের প্রধান হামাদ বন্দর এবং সৌদি আরবের পশ্চিম উপকূলীয় ইয়ানবুতে অবস্থিত কিং ফাহদ শিল্পবন্দরের নামও তালিকায় রয়েছে। ফার্সের দাবি, এই বন্দরটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ও রসদকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় চলমান সংঘাতের সময় ইয়ানবুর গুরুত্ব আরও বেড়েছে। বর্তমানে এটি সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এছাড়া কিং ফাহদ শিল্পবন্দরসহ ইয়ানবুর বিভিন্ন টার্মিনাল বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবকে বিকল্প রপ্তানি পথ ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখা এবং তেলের দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঠেকাতেও ভূমিকা রাখছে।
সূত্র: সিএনএন
/অ